Top Menu

Comments

Blog Archive

Ad Home

Videos

3/Food/recent-videos

Technology

3/Technology/small-col-left

Sports

3/Sports/small-col-right

Fashion

3/Fashion/big-col-right

Recent Posts

Business

3/Business/big-col-left

Header Ads

Header ADS

Nature

3/Nature/post-grid

Comments

3/recent-comments

Home

Custom Widget

3/Business/post-per-tag

main Slider

4/Business/slider-tag

Laptop & PC

Mobile phone

Recent in Sports

3/Sports/post-per-tag

Recent

3/recent-posts
Showing posts with label slider. Show all posts
Showing posts with label slider. Show all posts

নতুন বছরে নতুন আঙ্গিকে স্যামসাং

04:44
বছর ঘুরে আবার আসলো প্রাণের বৈশাখ। বাংলা নতুন বছরে সবকিছু যেনো নতুন রূপ নেয়। প্রকৃতি যেনো নতুন করে জানাতে চায় পরিবর্তনের কথা। নতুনকে বরণ করে নেয়ার মাঝেই যেনো অপার আনন্দ। নতুন কিছু কে না ভালোবাসে? নতুন কিছু পাওয়ার আকাঙ্খা, আগ্রহ, উদ্দীপনা সবার মনেই নাড়া দেয়, আর নতুন বছরে সেই আকাঙ্খা পূরণের আশায় বুক বাঁধে সবাই।

নতুন বছরকে কেন্দ্র করে প্রযুক্তি বিশ্ব অত্যাধুনিক সব পণ্য নিয়ে ব্যবসায়িক পরিকল্পনা করে। মূলত প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের আকাঙ্খা পূরণে সচেষ্ট থাকে প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এই ধারণা মাথায় নিয়েই দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক টেক জায়ান্ট স্যামসাং ক্রেতাদের জন্য নতুন গ্যালাক্সি এম ও গ্যালাক্সি এ সিরিজ বাজারে নিয়ে এসেছে। 
বিশ্বখ্যাত স্যামসাং ব্র্যান্ডের আধুনিক ফিচার সম্বলিত স্মার্টফোন এরকম কম বাজেটে বাজারে আগে আসেনি। গ্যালাক্সি এম সিরিজের স্মার্টফোনটি অতি কম বাজেটে পাওয়া যাচ্ছে। আধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের জন্য সবার হাতে কম মূল্যে উন্নত ডিভাইস তুলে দেয়ার ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। 
অন্যদিকে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে, নতুন যুগের সূচনা করতে, নতুন প্রজন্মের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে নতুনভাবে গ্যালাক্সি এ সিরিজ নিয়ে হাজির হয়েছে স্যামসাং।

কম্পিউটার দ্রুত গতির করার কিছু টিপস

20:39
Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

**Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

**কম্পিউটারের র‌্যা ম কম থাকলে কম্পিউটার ধীর গতির হয়ে যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়িয়ে কম্পিউটার গতি কিছুটা বাড়ানো যায়। ভার্চুয়াল মেমোরি বাড়ানোর জন্য প্রথমে My computer-এ মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে properties-এ যান। এখন Advance-এ ক্লিক করে performance এর settings-এ ক্লিক করুন। আবার Advance-এ ক্লিক করুন। এখন change-এ ক্লিক করে নতুন উইন্ডো এলে সেটির Initial size ও Maximum size-এ আপনার ইচ্ছামত size লিখে set-এ ক্লিক করে ok দিয়ে বেরিয়ে আসুন। তবে Initial size-এ আপনার কম্পিউটারের র‌্যা মের size-এর দ্বিগুন এবং Maximum size-এ র‌্যা মের size-এর চারগুন দিলে ভাল হয়। 

** কন্ট্রোল প্যানেলে যান। Add or Remove-এ দুই ক্লিক করুন। Add/Remove windows components-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটির বাম পাশ থেকে অদরকারি প্রোগ্রামগুলোর পাশের টিক চিহ্ন তুলে দিন। তারপর Accessories and Utilities নির্বাচন করে Details-এ ক্লিক করুন। নতুন যে উইন্ডো আসবে সেটি থেকে যে প্রোগ্রামগুলো আপনার কাজে লাগে না সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে OK করুন। এখন next-এ ক্লিক করুন। Successful meassage আসলে Finish-এ ক্লিক করুন।

ওয়াইফাইয়ের স্পিড বাড়াবেন যেভাবে

19:47
তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় ইন্টারনেট এখন প্রায় নিত্যপ্রয়োজনীয়। অফিস হোক বা বাড়ি, সোশ্যাল মিডিয়া বা মেইল চেক করা, সব ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের প্রয়োজন। তাই বাড়িতে এখন ওয়াইফাই রাউটার বসানোর চাহিদা বাড়ছে। কারণ, একদিকে যেমন একাধিক ডিভাইস এক সঙ্গে কানেক্ট করা যায়, তেমন ঘরের যে কোনও প্রান্তে বসে ইন্টারনেট সার্ফিং করা যায়।
তবে রাউটার বসালেও বেশ কিছু কারণে ইন্টারনেটের স্পিড ভালো মেলে না। এই ৫টি বিষয় মাথায় রাখলে সহজেই ওয়াই-ফাই স্পিড অনেকটা বাড়িয়ে নেওয়া যায়। দেখুন সেই ৫টি উপায় কী কী...
১. রাউটার বাড়ির মাঝখানে রাখুন:
সাধারণত কানেকশন নেওয়ার সময় তারের পরিমাণ কম রাখার জন্য জানালার পাশে ঘরের এক কোনে রাউটার রেখে দেওয়াই দস্তুর। সবচেয়ে ভালো কভারেজ পেতে রাউটারকে বাড়ির মাঝের ঘরে রাখুন। মনে রাখবেন, ওয়াই-ফাই ওমনি-ডাইরেকশনালি ছড়ায়। অর্থাৎ, চোঙ থেকে আওয়াজ যে ভাবে বার হয় অনেকটা সে রকমই রাউটারকে কেন্দ্র করে সিগনাল ছড়াতে থাকে। তাই এক কোনও রাখলে অর্ধেক সিগনাল বাড়ির বাইরে চলে যাবে। ফলে স্পিড এমনিতেই কম পাবেন।
২. চোখের উচ্চতায় রাখুন:
মাটি থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় রাউটারটি বসালে সিগনাল সবচেয়ে ভালো মেলে। মোটামোটি নিজের চোখের উচ্চতায় রাউটার রাখুন। সিগনালে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এমন কোনও ডিভাইসের সঙ্গে রাউটার রাখবেন না। যেমন, কর্ডলেস ফোনের বেস, অন্য কোনও রাউটার, প্রিন্টার, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি।
৩.  কম ডিভাইস কানেক্ট করুন:
বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান বা পার্টি রয়ছে। বন্ধুবান্ধব-আত্মীয়রা সকলেই আসছেন। ঠিক করলেন, বাড়ির ওয়াই-ফাই সকলের ব্যবহারের জন্য কানেক্ট করে দেবেন। সেই সঙ্গে নিজেও টুকটাক কাজ করে নেবেন। মনে রাখবেন এক সঙ্গে বেশি জিভাইস কানেক্ট করলে ওয়াই-ফাই স্পিড অত্যন্ত কমে যাবে। এখন বেশ কিছু রাউটারে ডিভাইস ব্লক করার অপশন রয়েছে। যদি দেখেন কোনও নির্দিষ্ট ডিভাইস বেশি ব্যান্ডউইডথ টেনে নিচ্ছে, তাকে ব্লক করুন। শুধুমাত্র ইন্টারনেট সার্ফ করার জন্য ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে বলুন। যদি কেউ কিছু ডাউনলোড করতে চান, তাঁকে অপেক্ষা করতে বলুন বা নিষেধ করুন।
৪. রিপিটার কানেক্ট করুন:
ওয়াই-ফাই স্পিড বেশ কিছুটা বাড়িয়ে দেবে রিপিটার। বাজারে এবং অনলাইন শপিং সাইটে বহু রিপিটার পেয়ে যাবেন। দাম মোটামোটি ১০০০ টাকা থেকে শুরু। কনফিগার করাও খুব সহজ। বাড়িতে যদি পুরনো কোনও ভালো রাউটার থাকে সেটাও রিপিটার হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এর জন্য সেটিং পেজে গিয়ে কনফিগার করতে হবে।
৫. USB রাউটার ব্যবহার করুন:
রাউটার কেনার আগে দেখে নিন তাতে USB পোর্ট আছে কিনা। চেষ্টা করুন USB পোর্টযুক্ত রাউটার কিনতে। কারণ USB পোর্ট থাকলে তাতে এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভ কানেক্ট করতে পারেন। এটা নেটওয়র্ক স্টোরেজের মতো কাজ করতে সমস্ত কানেক্টেড ডিভাইজের জন্য। অথবা প্রিন্টারও কানেক্ট করতে পারেন। এতে কোনও একটি ডিভাইসের সঙ্গে কানেক্ট করার প্রয়োজন পড়বে না। নেটওয়র্কে থাকা যে কোনও ডিভাইস থেকে প্রিন্ট দেওয়া যাবে। সাধারণত দেখা যায়, এ ধরনের রাউটার বেশ শক্তিশালী হয়। তাতে সিগনালও বেশ ভালো পাওয়া যায়।

স্মার্ট ফোনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাপ

04:48
প্রযুক্তির এই যুগে সাবাই স্মার্টফোন ব্যবহার করি। ফোন ব্যবহারের সময় সব সময় আমরা বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে থাকি।
ফোন ওপেন করার পরই আমাদের যে অ্যাপ্লিকেশনটির প্রয়োজন হয় সেটি হলো কি-বোর্ড। আর আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষই যে কি-বোর্ড গুলো ব্যবহার করে সেগুলোর নাম নিচে দেওয়া হলো।
Ridmik   Keyboard
বাংলা লেখার জন্য বাংলাদেশের মানুষের কাছে এটি অক্সিজেন কি-বোর্ড হিসাবে পরিচিত। এটা ছাড়া যেনো বাংলা লেখা চলেই না। যদিও এখন জি-বোর্ডে বাংলা লেখা যায়। আর বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড পি’তে এটা হ্যাং খেয়ে বসে থাকে মাঝে মাঝেই। তাই এটাকে বাদ দিয়ে অনেকেই অভ্রয়েড ব্যবহার শুরু করছে।
Avroid keyboard
 রিদমিক কি-বোর্ডকে কিছুটা চেঞ্জ করে নাম দেওয়া হয়েছে Avroid। এটা প্লে-স্টোরে এখন পাওয়া যায় না। তবে এটাকে আমরা অনেকেই Ridmik এর বিভিন্ন ইস্যু থাকার কারণে ব্যবহার করি।
Gboard
এটা নিয়ে তেমন কিছুই বলতে হবে না। মোটামোটি সবার অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই এটা আছে। এটা দিয়েও অন্যান্য ভাষার সাথে বাংলাও লেখা যাবে। এরপরই আমরা ব্যবহার করে থাকি ক্যামেরা অ্যাপ। বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন ক্যামেরা অ্যাপ সহযোগিতা নিয়ে থাকি। যেমন সেলফি তোলার জন্য যে ক্যামেরা ব্যবহার করে থাকি সেটি আবার অন্যান্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকি না। নিচে কয়েকটি ক্যামেরা অ্যাপের নাম দেয়া হলো।
Gcam
এটি হলো গুগলের পিক্সাল ফোনের ক্যামেরা অ্যাপ। যা অন্যান্য ফোনের জন্য পোর্ট করা হয়। আর এটি দিয়ে তোলা ছবি আমাদের স্টক ক্যামেরায় তোলা ছবির থেকে অনেক দিক দিয়েই ভালো।
Open Camera
এটাতে আছে হাজারটা ফিচার্স। ওপেন করলেই অনেক অপশন দেখে মাথা ঘুরঘুর করবে আপনার। এটি দিয়ে ভিডিও করা যাবে। এছাড়া ফোকাস, হুয়াইট ব্যালেন্স, এক্সপোজার লক করে রাখার সুবিধা আছে।
Camera FV-5
অ্যান্ড্রয়েডের সব চেয়ে জনপ্রিয় একটি ক্যামেরা অ্যাপ এটি। ম্যানুয়ালি সব সেটিংস কন্ট্রোল করার সুবিধা আছে এটাতে। সেলফি তোলার জন্য আমরা যে ক্যামেরাগুলো বেশি ব্যবহার করে থাকি।
Sweet Selfie
এটাতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্টিকার্স, ফিল্টার্স। ভালো আলো আর ভালো একটি ক্যামেরা ফোন হলেই এই অ্যাপটি দিয়ে সুন্দর সেলফি তোলা সম্ভব।
Beautyplus
এই অ্যাপটিতে স্কিন এডিটিংয়ের সুবিধাসহ পার্ফেক্ট আই করার ফিচার যুক্ত আছে। ম্যাজিক ব্রাশ, লাইভ রিটাচ, ফটো এডিটিং ও করা যাবে এটি দিয়ে।
YouCam Perfect
লাইভ স্কিন এডিটিংসহ বিভিন্ন ফিল্টার্স রয়েছে এটিতে। এছাড়াও ছবি তোলার পর এডিটিংয়ের সুবিধা রয়েছে।

পুরাতন ফোন বিক্রয় ও ক্রয়ের আগে করণীয়

01:30
এমন অনেকেই আছেন যারা সব সময় নতুন মডেলের ডিভাইস ব্যবহার পছন্দ করেন। আবার কেউ কেউ কোনো ডিভাইসের নতুন মডেল এলে সাথে সাথে না কিনে কিছুদিন পর একটু কম দামে সেকেন্ড হ্যান্ড নিয়ে নেন। এতে টাকাও বাঁচে আবার উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের সাধও পূরণ হয়। আর এজন্যই পুরাতন, ব্যবহারকৃত, কিংবা সেকেন্ড হ্যান্ড পণ্য ক্রয়-বিক্রয় বিশ্বজুড়ে প্রচলিত। এজন্য আলাদা মার্কেটপ্লেসও আপনি দেখে থাকবেন।
এখন আপনি যদি আপনার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বিক্রি করে দিতে চান, অথবা অন্য কারো কাছ থেকে তার ব্যবহৃত ফোনটি কিনতে চান, তাহলে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। অন্যথায় ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। আপনি যাতে ব্যবহৃত ফোন বিক্রি করে কিংবা সেকেন্ড হ্যান্ড ফোন কিনে না ঠকেন, সেজন্যই এই পোস্ট।

পুরাতন বা ব্যবহৃত ফোন বিক্রির আগে করণীয়

এখনকার সময়ে কিছুদিন পর পর স্মার্টফোন চেঞ্জ করে নতুন স্মার্টফোন কেনা একটা ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধ্যবিত্তদের ক্ষেত্রে নতুন ফোন কেনার আগে পুরাতন ফোনটি একটা ভালো দামে বিক্রি করাটা খুবই জরুরি। তবে পুরাতন ফোনটি বিক্রির আগে আপনাকে কিছু কাজ অবশ্যই করা উচিত। এতে করে আপনার কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না আবার ফোনটির ভালো একটা দাম পাবেন।

1. সিমকার্ডটি খুলে ফেলুন

পুরাতন ফোনটিকে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করার আগে প্রথম কাজ হলো আপনার স্মার্টফোন থেকে আপনার নিজের সিমকার্ডটি খুলে নেয়া। কারণ, সিমকার্ড আপনার একান্তই ব্যক্তিগত এবং আপনি আপনার নতুন ফোনে হয়ত এই সিমকার্ডটি ব্যবহার করতে চাইবেন। তাছাড়া আপনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ কন্টাক্টও এই সিমে থাকতে পারে। তাই একটা সিম ইজেকশন টুল দিয়ে সিমকার্ড খুলে রাখুন।

2. মেমোরি কার্ডটি খুলে নিন

আজকালকের স্মার্টফোনগুলোতে যথেষ্ট পরিমাণ অনবোর্ড স্টোরেজ থাকে বলে অনেকেরই মেমোরি কার্ড ব্যবহার করা লাগে না। কিন্তু যদি আপনি মেমোরি কার্ড ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন, তাহলে মনে করে সেটি খুলে রাখুন। তবে মেমোরি কার্ড খোলার আগে অবশ্যই ফোনটি বন্ধ করে নিন অথবা স্টোরেজ অপশন থেকে আনমাউন্ট করে নিন। তা না হলে আপনার মূল্যবান ডেটা করাপ্ট হয়ে যেতে পারে।

3. ফোনটি ফ্যাক্টরি রিসেট ও সম্পূর্ণ ইরেজ করে নিন

এবার আপনার কাজ হলো ফোনটিকে সম্পূর্ণভাবে ইরেজ করে এর সব সেটিংস ফ্যাক্টরিতে থাকা অবস্থায় যেমন ছিল তেমনভাবে নিয়ে আসা। তবে তার আগে আপনার ফোনের সব ডেটা আপনার মেমোরি কার্ডে বা পিসিতে ব্যাকাপ করে নিন।
পাশাপাশি যেসব জিনিস আপনার ক্লাউড একাউন্টে সিঙ্ক হয় সেগুলোর সর্বশেষ অবস্থা আপনার গুগল কিংবা অ্যাপল একাউন্টে (উদাহরণস্বরূপ) সিঙ্ক হয়েছে কি না তা চেক করে নিন। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তবেই ফোন রিসেট দিন। রিসেট দেওয়ার সময় ফোনের ব্যাটারি পর্যাপ্ত রাখা উচিত। চাইলে চার্জার কানেক্ট করে নিতে পারেন।

4. ফোনটি পরিষ্কার করে নিন

এখন আপনার কাজ হবে ফোনটির বাইরের দিকটা পরিষ্কার করে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে ফোনটির একটি ভালো দাম নিশ্চিত করা। স্থায়ী স্ক্র্যাচ কিংবা ডেন্ট নিয়ে আপনার হয়ত কিছু করার নেই কিন্তু চাইলেই আপনি ফোনের ধুলাবালি আর আঙ্গুলের ছাপগুলো মুছে নিতে পারেন। এক্ষেত্রে শুকনো নরম কাপড়ই যথেষ্ট। তবে চাইলে একটু গ্লাস ক্লিনিং লিকুইড যোগ করে নিতে পারেন।

5. পুনরায় বাক্সবন্দী করুন

যত্ন নিয়ে ফোন ব্যবহার করে থাকলে এটাও নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে আপনি আপনার ফোনের বাক্সটিও খুব যত্ন করে রেখে দিয়েছেন। যদি তাই হয় তাহলে ফোনটি আবার বাক্সে ভরে ফেলুন। ফোনটির সাথের চার্জার ও অন্যান্য এক্সেসরিজ যদি থেকে থাকে তাহলে সেগুলোও সাথে দিয়ে দিন। এতে করে ক্রেতা পাওয়া আরো সহজ হবে এবং আপনি ভালো একটা দামও পাবেন।

6. সফটওয়্যার চেক

এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বাইরে থেকে আপনি হার্ডওয়্যার ত্রুটি ধরতে পারলেও সফটওয়্যার জনিত কোনো সীমাবদ্ধতা থাকলে সেটা ধরা কঠিন। যেমনঃ আইফোনের ক্ষেত্রে আইক্লাউড লক করা কি না সেটা দেখে নিবেন। এন্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে সেট রুট করা থাকলে ওয়ারেন্টি পাবেন কিনা তা জেনে নিন।
যদিও, রুট করা স্মার্টফোন কিনলে কোন সমস্যা নেই। কিন্তু ওয়ারেন্টি চাইলে রুট করা কিনা সেটা দেখে নিবেন। প্রয়োজনীয় পাসওয়ার্ড গুলো চেয়ে নিবেন বিক্রেতার কাছ থেকে। সবচেয়ে ভালো হয় ফ্যাক্টরি রিসেট দেয়া অবস্থায় ফোন কিনলে।

7. হার্ডওয়্যার টেস্ট

অনেকসময় বাইরে থেকে দেখতে ভালো মনে হলেও শক কিংবা পড়ে যাওয়া জনিত কারণে স্মার্টফোনের বিভিন্ন সেন্সর যেমনঃ ক্যামেরা, ব্লুটুথ, ওয়াইফাই, রেডিও ইত্যাদি কাজ নাও করতে পারে। তাই এসব চেক করে নেয়া উচিত। চেক করার জন্য হার্ডওয়্যার টেস্ট নামে প্লে স্টোরে অনেক অ্যাপ পাবেন।
বিভিন্ন পোর্ট যেমনঃ ইউএসবি, হেডফোন জ্যাক ইত্যাদি টেস্ট করে নিতে ভুলবেন না। সবচেয়ে বেশি নজর দিবেন ব্যাটারির ক্ষেত্রে। প্রায় সব স্মার্টফোনেই নন রিমুভেবল ব্যাটারি থাকে। তাই ব্যাটারি খারাপ থাকলে আপনাকে মুশকিলে পড়তে হবে। সম্ভব হলে বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে এপ্রক্সিমেট ব্যাটারি ইউসেজ ডেটা থেকে স্মার্টফোনটির ব্যাটারির অবস্থা যাচাই করে নিবেন।
সর্বোপরি নিজের এসব ব্যাপারে ধারণা কম থাকলে  পরিচিত কাউকে সাথে নিয়ে যাওয়া উচিত। তাহলেই ঠকার সম্ভাবনা কম থাকবে।

 
Copyright © all tips . Designed by OddThemes & VineThemes